বিএনপির সকল সমস্যার যুক্তিগত সমাধান
বি এন পি সহ ঐক্য জোটের সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আমার নিরোপেক্ষ আহভান আপনারা জাতিয় র্নিরবাচনে অংশ গ্রহন করার জন্য প্রস্তুত হয়ে যান।।
পার্থি বাছাই করুন এবং নিজ নিজ এলাকার ভোটার দের কে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলুন।।
এবার আসুন আপনাদের দ্বাবি আর নিরেপেক্ষ নিরবাচনের পরিবেশের সমাধান।।
সবাই রাজনিতি করে ক্ষমতাই যাওয়ার জন্য ত্বদরুপ ক্ষমতাশিন দলও চাইবে আবার ক্ষমতাই আসার।।
সে জন্য তারা তাদের যথা সম্বব চেস্টা করবে।।
তাদের ব্যাবস্তা তাদের কেই নিতে দিন।।
যেহেতু বিএনপির এই মুহুত্বে সবচেয়ে বড় দুই সমস্যা
১। দলের চেয়ারপার্সন এর স্থানে ফাকা সেখানে কাউকেই আইনত দাড় করান যাচ্ছে না।।
২।নিরবাচনে কারচুপির সম্ভাবনা। যেখানে ক্ষমতাশিন দের তত্বাবধায়নে র্নিরবাচনে যেতে হবে।।
ওকে সমাধান টা কি হতে পারে?
১নং সমাধান এটাই যে চেয়ারপার্সনের জন্য আন্দলন অব্যাহত রেখে যে কোন এক জনকে র্নিরবাচন কালিন চেয়ারপার্সন হিসাবে মননিত করা। যাতে করে র্নিরবাচনি আচারন ঠিক রাখা সম্ভব হয়।। আর জনগন সবি জানে এবং বোঝে তাই আমার মতে মুক্ত চেয়ারপার্সন থেকে বন্দি চেয়ারপার্সনের গ্রহনজগ্যতা কম হবে না।।
২নং সমাধানের ব্যাপারে যা বলব তা হল জনগন যদি ভোট দিতে না পারে তবে জনগন কে র্নিরবাচন কালিন সময় কঠিন সিদ্ধানত নেওয়ার ব্যাপারে ঐক্য বদ্ধ করুন।।
এটা নিস্চত করুন যাতে করে সঠিক এবং নিরেপেক্ষ র্নিরবাচন জাতিকে উপহার দেওয়া যাই।।
নিস্চই সরকার এর বিপরিত কথা বলবে না তারাও নিরপেক্ষ র্নিরবাচন দেওয়ার ব্যাপারে অঙ্গিকার বদ্ধ তবে তা হলে তাদের কে দিয়েই নিরপেক্ষতা নিস্চত করতে হবে।।
সে জন্য যে কোন ব্যাপারে সংলাপের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে এবং র্নিরবাচনে অংশ গ্রহন করে নিজেদেরর জনপ্রিয়তা প্রমান করতে হবে।।
একটা কথা মনে রাখবেন
রাজপথে যতই আন্দলন করেন তার প্রভাব যতটা না কর্যকরি সংসদে গিয়ে কথা বললে ারো অনেক বেশি গুরুত্ব পাবে।।
এবার জাতিয় র্নিরবাচনে সরকার গঠন করতে না পারলেও সংসদে বিরোধি দল হিসেবে গেলেও দেশ ওজাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারবেন।।
তা না হলে গত দশ বছরের ইতিহাসে নিস্চই এটা প্রমানিত যে ক্ষমতাশিন দল নিজেদের সুবিধা মত আইন প্রনয়ন করে জাতিয় র্নিরবাচনে তার প্রয়গ করতে সফল।।
অতএব বিরধিতা করার কেও না থাকার কারনে বি এন পি চেয়ারপার্সন দুইকোটি টাকার মামলাই আসামি হয়ে কারাগারে থাকে। পক্ষান্তরে দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা দূরনিতির সঠিক বিচার আমরা দেখিনা।।
তাই এবার সংসদে গিয়ে বিরধি দল হিসাবে গেলেও সকল দূরনিতির মূল বাহির করতে সক্ষম হবেন। তা ছাড়া রাজপথে যতই আন্দলোন করেন তার কোন সুফল দেশ ও জাতি দেখতে পাইনা।।।
আমরা নিরেপেক্ষ জনগন সকল সময় একটাই আশা করি তাহল জবাব দিহিতা মূলক শাশন ব্যাবস্তা
যেখানে জবাবদিহিতা নেই সেখানে দুরনিতি বাসা বাধে।।
যে দলি ক্ষমতাই আসুক না কেন সাধারন জনগনের তাতে কোন ক্ষব নেই।।
তাই আমরা চাই যেই ক্ষমতাই আসুক তারো জবাবদিহি করাটা নিস্চিত করতে তা নাহলে আমরা কেও সাধু না
আমাদের সকলেরি ভুল আছে।।।
পার্থি বাছাই করুন এবং নিজ নিজ এলাকার ভোটার দের কে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলুন।।
এবার আসুন আপনাদের দ্বাবি আর নিরেপেক্ষ নিরবাচনের পরিবেশের সমাধান।।
সবাই রাজনিতি করে ক্ষমতাই যাওয়ার জন্য ত্বদরুপ ক্ষমতাশিন দলও চাইবে আবার ক্ষমতাই আসার।।
সে জন্য তারা তাদের যথা সম্বব চেস্টা করবে।।
তাদের ব্যাবস্তা তাদের কেই নিতে দিন।।
যেহেতু বিএনপির এই মুহুত্বে সবচেয়ে বড় দুই সমস্যা
১। দলের চেয়ারপার্সন এর স্থানে ফাকা সেখানে কাউকেই আইনত দাড় করান যাচ্ছে না।।
২।নিরবাচনে কারচুপির সম্ভাবনা। যেখানে ক্ষমতাশিন দের তত্বাবধায়নে র্নিরবাচনে যেতে হবে।।
ওকে সমাধান টা কি হতে পারে?
১নং সমাধান এটাই যে চেয়ারপার্সনের জন্য আন্দলন অব্যাহত রেখে যে কোন এক জনকে র্নিরবাচন কালিন চেয়ারপার্সন হিসাবে মননিত করা। যাতে করে র্নিরবাচনি আচারন ঠিক রাখা সম্ভব হয়।। আর জনগন সবি জানে এবং বোঝে তাই আমার মতে মুক্ত চেয়ারপার্সন থেকে বন্দি চেয়ারপার্সনের গ্রহনজগ্যতা কম হবে না।।
২নং সমাধানের ব্যাপারে যা বলব তা হল জনগন যদি ভোট দিতে না পারে তবে জনগন কে র্নিরবাচন কালিন সময় কঠিন সিদ্ধানত নেওয়ার ব্যাপারে ঐক্য বদ্ধ করুন।।
এটা নিস্চত করুন যাতে করে সঠিক এবং নিরেপেক্ষ র্নিরবাচন জাতিকে উপহার দেওয়া যাই।।
নিস্চই সরকার এর বিপরিত কথা বলবে না তারাও নিরপেক্ষ র্নিরবাচন দেওয়ার ব্যাপারে অঙ্গিকার বদ্ধ তবে তা হলে তাদের কে দিয়েই নিরপেক্ষতা নিস্চত করতে হবে।।
সে জন্য যে কোন ব্যাপারে সংলাপের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে এবং র্নিরবাচনে অংশ গ্রহন করে নিজেদেরর জনপ্রিয়তা প্রমান করতে হবে।।
একটা কথা মনে রাখবেন
রাজপথে যতই আন্দলন করেন তার প্রভাব যতটা না কর্যকরি সংসদে গিয়ে কথা বললে ারো অনেক বেশি গুরুত্ব পাবে।।
এবার জাতিয় র্নিরবাচনে সরকার গঠন করতে না পারলেও সংসদে বিরোধি দল হিসেবে গেলেও দেশ ওজাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারবেন।।
তা না হলে গত দশ বছরের ইতিহাসে নিস্চই এটা প্রমানিত যে ক্ষমতাশিন দল নিজেদের সুবিধা মত আইন প্রনয়ন করে জাতিয় র্নিরবাচনে তার প্রয়গ করতে সফল।।
অতএব বিরধিতা করার কেও না থাকার কারনে বি এন পি চেয়ারপার্সন দুইকোটি টাকার মামলাই আসামি হয়ে কারাগারে থাকে। পক্ষান্তরে দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা দূরনিতির সঠিক বিচার আমরা দেখিনা।।
তাই এবার সংসদে গিয়ে বিরধি দল হিসাবে গেলেও সকল দূরনিতির মূল বাহির করতে সক্ষম হবেন। তা ছাড়া রাজপথে যতই আন্দলোন করেন তার কোন সুফল দেশ ও জাতি দেখতে পাইনা।।।
আমরা নিরেপেক্ষ জনগন সকল সময় একটাই আশা করি তাহল জবাব দিহিতা মূলক শাশন ব্যাবস্তা
যেখানে জবাবদিহিতা নেই সেখানে দুরনিতি বাসা বাধে।।
যে দলি ক্ষমতাই আসুক না কেন সাধারন জনগনের তাতে কোন ক্ষব নেই।।
তাই আমরা চাই যেই ক্ষমতাই আসুক তারো জবাবদিহি করাটা নিস্চিত করতে তা নাহলে আমরা কেও সাধু না
আমাদের সকলেরি ভুল আছে।।।

দেশ ও জাতির স্বার্থে কে কি করছে জনগন জানে
ReplyDeletethanks
Deletevery nice
ReplyDelete